রাতভর ধর্ষণের পর সকালে যুবতীর শরীরে ………… (বিস্তারিত)

গাজীপুরের শ্রীপুরে পোশাক কারখানার এক
যুবতী শ্রমিককে (২৫) বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে
রাতভর ধর্ষণের পর শরীরে গরম মাড় ঢেলে
দিয়েছে ধর্ষণকারীরা। এ ঘটনায় তিনজনকে
গ্রেফতার করেছে শ্রীপুর থানা পুলিশ।
মঙ্গলবার দিবাগত রাতের বিভিন্ন সময় তাদের
গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, শ্রীপুর পৌর এলাকার
মাধখলা গ্রামের আব্দুল মান্নানের ছেলে মকবুল
হোসেন (২৫), বৈরাগীরচালা গ্রামের সফর
আলীর ছেলে নূরু মিয়া (৬০) এবং রাজশাহীর
গোদাগাড়ী উপজেলার খয়রা গ্রামের আমজাদ
আলীর ছেলে বাবুলুর রহমান (৩৫)। তবে
ধর্ষক সাহাব উদ্দিনকে (৫০) গ্রেফতার করতে
পারেনি পুলিশ।

শ্রীপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত)
মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ জানান, মঙ্গলবার দিবাগত
রাতের বিভিন্ন সময় কয়েকটি স্থানে অভিযান
চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। ধর্ষণে
সহযোগিতা ও দাহ্য পদার্থ দিয়ে পুড়িয়ে হত্যা
চেষ্টার অভিযোগে ওই তিনজনকে গ্রেফতার
করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের আদালতের
মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।
মামলার প্রধান আসামি ‘ধর্ষক’ সাহাবউদ্দিনকে
গ্রেফতারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

তরুণীর বাবা জানান, সোমবার তিনি রিকশা নিয়ে বাড়ি
থেকে বের হন। বিকেলে তার মা প্রতিবেশী
এক আত্মীয়র বাড়িতে যান। ওই সুযোগে
আগে থেকে ওঁতপেতে থাকা সাহাবউদ্দিন তার
তিন সহযোগীকে নিয়ে ঘরে ঢুকে তার
মেয়ের মুখ বেঁধে ফেলে। এরপর
মেয়েকে তুলে নিয়ে সাহাবউদ্দিনের বাড়ির
একটি ঘরে তালাবদ্ধ করে রাখে। তরুণীর বাড়ি
থেকে সাহাবউদ্দিনের বাড়ি মাত্র ১০০ থেকে
১৫০ গজ দূরে। ঘরে আটকে রেখে রাতভর
তাকে ধর্ষণ করে সাহাবউদ্দিন। পরদিন মঙ্গলবার
সকালে প্রতিবেশী এক বৃদ্ধার মাধ্যমে জানতে
পারেন তার মেয়েকে আটকে রেখেছে
সাহাবউদ্দিন।

নির্যাতিতা যুবতীরর মা জানান, তার মেয়েকে
উদ্ধারের সময় সাহাবউদ্দিন ক্ষিপ্ত হয়ে চুলা
থেকে ফুটন্ত মাড়সহ ভাতভর্তি হাঁড়ি তুলে এনে
তার মেয়ের পিঠে ঢেলে দেয়। এতে তার
মেয়ের ঘাড় ও পিঠসহ বাঁ পায়ের কিছু অংশ পুড়ে
গেছে। মুমূর্ষু অবস্থায় যুবতীকে প্রথমে
শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন
ইউনিটে চিকিৎসাধীন রাখা হয়েছে।
এ ঘটনায় নির্যাতিতা যুবতীর বাবা বাদী হয়ে ধর্ষক
সাহাবউদ্দিন ও তার তিন সহযোগীকে অভিযুক্ত
করে মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১১টায় শ্রীপুর থানায়
মামলা করেন।

Leave a Reply